
হুমায়ুন চৌধুরী, চট্টগ্রাম: চট্টগ্রামে ভারী বৃষ্টিপাতের বৃষ্টিপাত ফলে নগরের বিভিন্ন স্থানে সৃষ্টি হয়েছে জলাবদ্ধতা ও বিভিন্ন সড়কে দেখা দিয়েছে যানজট।
সোমবার (২৮ জুলাই) সকালে নগরীর বিভিন্ন সড়ক ঘুরে দেখা গেছে নগরীর মুরাদপুর, জিইসি মোড়, দুই নম্বর গেট, বাকলিয়া, আগ্রাবাদ, চান্দগাঁওসহ বিভিন্ন স্থানে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে।
টানা বৃষ্টি ও ভারী বর্ষণের ফলে হাঁটু সমান পানি উঠে সৃষ্টি হয়েছে জলাবদ্ধতা ও পথচারী চলাচলে প্রতিবন্ধকতা। এ সুযোগে বাড়তি ভাড়া নিচ্ছেন অটোরিকশা ও সিএনজি চালকরা। বিশেষ করে সিএনজি চালিত অটোরিকশা ইচ্ছেমতো অনেক বেশি ভাড়া নিচ্ছে। সবমিলিয়ে সকাল সকাল ভোগান্তিতে পড়েছেন দৈনন্দিন কাজে বের হওয়া লোকজন।
জালালাবাদ হাউজিং সোসাইটির অফিসগামী নারী মোছাম্মৎ নূরজাহান বলেন, সকালে গাড়ি নিয়ে অফিস বের হওয়ার পথে দেখি পানির দরুন গাড়িতে করে অফিস যাওয়া সম্ভব না। অবস্থা বেগতিক দেখে সিএনজি অটোরিকশা নিয়ে অফিস যেতে চাইলে সিএনজি অটোরিকশা চালক ১৫০ টাকার ভাড়া ৪০০ টাকা দাবি করছে।
একই রকম সমস্যার কথা উল্লেখ করে কমদতলী এলাকার বাসিন্দা মাহবুব আলম রাজীব বলেন সকালে বাচ্চাদের নিয়ে স্কুল যেতে রিকশা ভাড়া করতে চাইলে রিকশা চালক ৩০ টাকার ভাড়া ১০০ টাকা দাবি করে। রাস্তায় যে পরিমাণ পানি দেখি। তাতে নিরুপায় হয়ে আমরা বাড়তি ভাড়াতেই যাতায়াত করতে বাধ্য হই।
এদিকে পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের কর্মকর্তা মাহমুদুল আলম বলেন, চট্টগ্রামে সোমবার সকাল ৯টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় ৫৬ দশমিক ৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। বৃষ্টি আরও দুয়েকদিন থাকতে পারে। তবে শেষদিকে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ কিছুটা কমে আসতে পারে।
চট্টগ্রামে একদিকে বৃষ্টির দরুন যেমন জলাবদ্ধতা ও যানজটের কারণে জনজীবনে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। তেমনি অন্যদিকে একই কারণে বাড়ছে মশার চরম।উপদ্রব। যার দরুন তীব্র গতিতে বাড়ছে ডেঙ্গু, ম্যালেরিয়া ও চিকনগুনিয়ার মত জ্বর ব্যাধি ও অসুস্থতা। এ সমস্ত কিছু হতে মুক্তি পেতে জনগণের দাবি চট্টগ্রাম শহরের জলাবদ্ধতা নিরসনে কার্যকরী উদ্যোগ। তাদের দাবি শহরের জলাবদ্ধতার কারণেই সৃষ্টি হচ্ছে সকল সমস্যা। জলাবদ্ধতা নিরসন করা গেলে এ সমস্ত সমস্যা সমাধানে অনেক অগ্রগতি হবে।
Barta Mela bangla online newsportal