
মো: আল মাসুম খান: খুলনা-৫ (ডুমুরিয়া-ফুলতলা) সংসদীয় আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির মনোনীত প্রার্থী, খুলনা-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)-এর সাবেক সভাপতি, এসিসিবি-এর সাবেক পরিচালক, রূপসা গ্রুপের কর্ণধার, শহীদ জিয়া পরিবারের ঘনিষ্ঠজন এবং দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় শিল্পপতি জননেতা মো: আলী আসগর লবির সঙ্গে বিএনপি নেতৃবৃন্দ এক সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।
গতকাল ১০ জুলাই সন্ধ্যায় খুলনার ইউসুফ রোডে অবস্থিত তার নিজ বাসভবনে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় নেতৃত্ব দেন খুলনা মহানগর ছাত্রদলের সাবেক নেতা, মহানগর যুবদলের অন্যতম সংগঠক ও বিএনপি নেতা মো: তারিকুল ইসলাম। তার নেতৃত্বে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি নেতা জাহিদ খোকন, এস. এম. বদরুল আলম রয়েল, বিপুল রহমানসহ মহানগরের আরও বহু নেতৃবৃন্দ।
সাক্ষাৎকালে সকল নেতৃবৃন্দ জননেতা লবি সাহেবের খোঁজখবর নেন এবং তার রাজনীতির ভূমিকা ও অতীত ত্যাগের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। পরে মো: তারিকুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, “এক-এগারোর তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে জননেতা মো: আলী আসগর লবি সাহেব নির্মম নির্যাতনের শিকার হন। তার একাধিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করে দেওয়া হয়, ১৭ বছরের বেশি সময় ধরে তার ব্যাংক হিসাবসমূহ ফ্রিজ করে রাখা হয় এবং তাকে তিনবার ‘আয়না ঘরে’ নিয়ে নির্মম নির্যাতন চালানো হয়। তবুও তিনি অটল, অবিচল থেকে দলের প্রতি শতভাগ নিষ্ঠা দেখিয়েছেন।”
২০০১ সালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নিজ নির্বাচনী আসন খুলনা-২ থেকে উপ-নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন জননেতা মো: আলী আসগর লবি। সেই পাঁচ বছরে খুলনা শহর ও দক্ষিণাঞ্চলে তিনি অভাবনীয় উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করেন। তিনি একজন মাটির মানুষ, সদাহাস্য, সহজ-সরল জীবন যাপনকারী এবং স্থানীয় আঞ্চলিক ভাষায় কথা বলতেই স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন- যা তাকে জনগণের আরও কাছাকাছি নিয়ে যায়।
তিনি শুধু একজন রাজনীতিকই নন, বরং একজন সফল উদ্যোক্তা ও মানবিক হৃদয়ের অধিকারী ব্যক্তি, যিনি দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য, ক্রীড়া এবং রাজনীতিতে সফলতার ইতিহাস গড়েছেন।
নেতৃবৃন্দ বলেন, “জননেতা লবি ভাই খুলনা-৫ আসনে নির্বাচিত হলে ডুমুরিয়া ও ফুলতলার চিত্র বদলে যাবে। প্রতিটি ঘরে ঘরে সরকারি-বেসরকারি চাকরির সুযোগ তৈরি হবে, আধুনিক পিচঢালা রাস্তা হবে, স্কুল-কলেজ-মাদ্রাসা, মসজিদ, গির্জা ও মন্দিরসমূহের অবকাঠামো উন্নয়নে ব্যাপক কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে।”
তারা আরও বলেন, “ডুমুরিয়া ও ফুলতলার জনগণ তাদের শ্রেষ্ঠ সন্তান জননেতা লবিকে আবারও নির্বাচিত করে উন্নয়নের রাজপথে ফিরিয়ে আনবে ইনশাআল্লাহ।”
এই সাক্ষাৎকার ছিল না শুধু সৌজন্য সাক্ষাৎ—এটি ছিল এক শক্তিশালী বার্তা, বিএনপি এখন আরও ঐক্যবদ্ধ, এবং রাজনীতিতে আবারও অভিজ্ঞ ও জনভিত্তি সম্পন্ন নেতৃত্বের প্রত্যাবর্তনের ঘোষণা।
Barta Mela bangla online newsportal