সর্বেশেষ
জিয়া সাইবার ফোর্স- জেড সি এফ চট্টগ্রাম মহানগর এর পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা চট্টগ্রামে ২৫ ভরি স্বর্ণ সহ চোরাচালানকারী গ্রেফতার চট্টগ্রাম-৮ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এরশাদ উল্লাহ গুলিবিদ্ধ চট্টগ্রামে ২৯ নং ওয়ার্ড ইউনিট (এ) বিএনপির প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে কদমতলী মহল্লা কমিটির বিশাল আয়োজন শহীদ সাংবাদিক তুহিনের দু'সন্তানের পড়াশোনার দায়িত্ব নিলেন বিএমএসএফ চট্টগ্রামে ভারী বৃষ্টিপাতে বাড়ছে জলাবদ্ধতা ও যানজট খুলনায় বিষাক্ত দেশি মদে ১০ জনের মৃত্যু, হোমিও চিকিৎসক আটক শোকবার্তা নিয়ে আমীরে জামায়াত ২২ জুলাই খুলনায় আগমন করবেন খুলনার ৬৪ থানায় চালু হচ্ছে অনলাইন জিডি সেবা
Home / সমগ্র বাংলা / ঢাকা / নিখোঁজের ৭০ দিন পর বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ভিকটিম উদ্ধার

নিখোঁজের ৭০ দিন পর বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ভিকটিম উদ্ধার

ইমদাদুল হক: গত ৫ আগস্ট ২০২৪ তারিখ আওয়ামী লীগ সরকার পতনের দিন নিখোঁজ হয় ১৪ বছরের ভিকটিম জিহাদ। অবশেষে নিখোঁজের ৭০ দিন পর মঙ্গলবার (১৫ অক্টোবর) তথ্য প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহারের মাধ্যমে পুলিশ টঙ্গী রেল স্টেশনের একটি আবাসিক হোটেল থেকে জিহাদকে উদ্ধার করে।

 

উল্লেখ্য, জিহাদের গ্রামের বাড়ি বগুড়ার শেরপুর থানায়। তার বাবার নাম মোহাম্মদ বেলাল হোসেন। সে আশুলিয়ার বাসা থেকে তার বাবার সাথে দেখা করতে যাওয়ার কথা বলে ৫ আগস্ট থেকে নিখোঁজ হয়।

 

এব্যাপারে আশুলিয়া থানার ওসি আবু বকর সিদ্দিক গণমাধ্যমকে জানান, গত পাঁচ আগস্ট সরকার পতনের দিন নিখোঁজ হয় ১৪ বছরের ভিকটিম জিহাদ। নিখোঁজের ৭০ দিন পর তথ্যপ্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহারের মাধ্যমে সাভার সার্কেল শাহিন স্যারের দিকনির্দেশনায় আমার তত্ত্বাবধানে, স্মৃতিসৌধ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ অলক কুমার দে পিপিএম এর নেতৃত্বে টঙ্গী রেল স্টেশনের একটি আবাসিক হোটেল থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়।

 

তিনি আরও জানান, মূলত ছেলেটি তার বাবা-মায়ের উপর রাগ করে কাজের সন্ধানে টঙ্গী রেল স্টেশনে আসে এবং এখানে একটি আবাসিক হোটেলে বয় হিসেবে কাজ নেয়। সামগ্রিক বিষয়টা নিয়ে পুলিশের তদন্ত কার্যক্রম চলমান ছিল। আশুলিয়া থানায় গত ১৮ আগস্ট ভিকটিমের বাবা আশুলিয়া থানায় একটি জিডি করেন (জিডি নং ৬৭০)। এর ধারাবাহিকতায় ভিকটিমের বাবা এসপি সাভার সার্কেল শাহিন স্যারের কাছে গেলে সার্কেল স্যারের নির্দেশনায় এসআই অলক কুমার দে পিপিএম মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ভিকটিমকে সম্পূর্ণ সুস্থ শরীরে উদ্ধার করতে সক্ষম হন।

 

ওসি আবু বকর বলেন, যেহেতু দিনটি ছিল পাঁচই আগস্ট, কাজেই ভিকটিমের পরিবার একটা কথাই বারবার বলছিলেন যে সন্তানটি মারা গেলেও তার লাশটি যেন পাওয়া যায়। তার বর্তমান অবস্থান জানলেই তারা খুশি। আল্লাহর অসীম রহমতে ভিকটিমকে উদ্ধার করতে পেরে এবং তাকে সুস্থ শরীরে তার বাবা মার কাছে দিতে পারা পুলিশ বাহিনীর জন্য অত্যন্ত পেশাদারিত্বের পরিচয় বহন করবে।

আপনার মতামত দিন

আপনার ই-মেইল প্রকাশ করা হবে না। প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *

*